ইউকে বাংলা অনলাইন ডেস্ক :তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসায় মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে বন্ধ করে দেয়া হয় কুষ্টিয়া জেলার সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়। তবে এই ঘোষণা দেরিতে স্কুলে পৌঁছানোয় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অনেক শিক্ষার্থীকে শীতের সকালে এসে ক্লাস না করেই ফিরে যেতে হয়। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিভাবকরা।
স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছুটা জটিলতা দেখা দেয় বলে জানান- জেলা শিক্ষা অফিসার আল মামুন তালুকদার ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
আল মামুন তালুকদার বলেন, গতরাত ১২টার আগ পর্যন্ত যোগাযোগ করেও কুমারখালী আবহাওয়া অফিস থেকে আমরা কোনো রেসপন্স পাইনি। পরে মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে তারা জানায়, তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে গেছে। তাই পরে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়।
বন্ধের ঘোষণা পৌঁছানোর আগেই অনেক স্কুলে ক্লাসও শুরু হয়ে যায়। কুষ্টিয়া শহরের হাসিব ড্রিম স্কুলের প্রধান শিক্ষক হেলাল বলেন, সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে স্কুল বন্ধের নির্দেশনা পাই। তবে এর আগেই আমার এখানে ক্লাস শুরু হয়ে যায়। পরে স্কুল বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে দেয়া হয়।
সকালে কুষ্টিয়া মিশন স্কুল, কুষ্টিয়া হাই স্কুল ও কুষ্টিয়া জিলা স্কুলসহ বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ফিরে যেতে দেখা যায়।
সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার স্বস্তিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে বন্ধ পাওয়া যায়। সেখানকার প্রধান সহকারী শিক্ষক নুরুল ইসলাম বলেন, সকাল ৮টার কিছুক্ষণ আগে আমরা বন্ধের নির্দেশনা পেয়েছি। এরপর স্কুলের বিভিন্ন গ্রুপে মেসেজ পাঠাই। এরপরও অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে চলে আসে। পরে তাদের ফেরত পাঠানো হয়।
কুমারখালী আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মামুন আর রশিদ বলেন, মঙ্গলবার কুষ্টিয়ায় তাপমাত্রা কমে ৯ ডিগ্রিতে নেমেছে।










