ইউকে মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
হেডলাইন

বিরোধীদল এক ব্যানারে রাজপথে নামার জন্য প্রস্তুত: গণঅধিকার পরিষদ

ইউকে বাংলা অনলাইন ডেস্ক :গণঅধিকার পরিষদ এক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, দলকানা ও আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন প্রায় সকল বিরোধী রাজনৈতিক দলের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও একপাক্ষিক ও অংশগ্রহণবিহীন জাতীয় নির্বাচন ঘেষণা করেছে আগামী ৭ জানুয়ারি। এ নির্বাচন প্রতিরোধ করতে সকল দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দলগুলো রাজপথে নামার জন্য প্রস্তুত।

শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে গণঅধিকার পরিষদের উদ্যোগে ‘ভোট বাঁচাও দেশ বাঁচাও’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুবুদ্দিন খোকন বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারি ফেলানীর মৃত্যুদিবসে আওয়ামী নির্বাচন নয়, সেদিন আওয়ামী লীগের মরণ যাত্রা চূড়ান্ত হবে। গণতন্ত্র বাঁচাতে নির্বাচন বন্ধের আহ্বান জানান।

গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) ফারুক হাসান বলেন, ৭ জানুয়ারি সেই ঐতিহাসিক দিন, যেদিন সীমান্তের কাঁটাতারে ভারতীয় বাহিনী কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হয়ে কাঁটাতারে ঝুলছিল কিশোরী ফেলানীর লাশ। ফেলানী হত্যার যুগপূর্তির দিনে বাংলাদেশে নির্বাচনের নামে যে আওয়ামী মহড়া হচ্ছে তা কোনো গণতান্ত্রিক নির্বাচন নয়। এটি শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদের হাতকে আরও বেশি রক্তাক্ত করার আয়োজন। এ নির্বাচন বাংলাদেশের মাটিতে ভারতীয় আধিপত্যবাদী নীল নকশার নির্বাচন। বাংলাদেশের সার্বভৗমত্ব ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে প্রতিবেশীর রাষ্ট্রগুলোর আগ্রাসন পাকাপোক্ত করার নির্বাচন। তাই এ নির্বাচন প্রতিহত করার জন্য আমরা জনগণকে আহ্বান জানাই।

গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) মিয়া মশিউজ্জামানের সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন্দ, সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট মহসিন রশিদ, ১২ দলীয় জোটের প্রধান মোস্তফা জামাল হায়দার, এন ডি এম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু প্রমুখ।

সভায় বক্তারা শেখ হাসিনাকে অবিলম্বে ইস্তফা দিয়ে, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করে অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করার জন্য আহ্বান করেন বক্তারা।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন :

সর্বশেষ সংবাদ