ইউকে মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২
হেডলাইন

সরকার প্রতিবাদের ভাষাকে রুদ্ধ করে দিয়েছে : ফখরুল ইসলাম

সরকার প্রতিবাদের ভাষাকে রুদ্ধ করে দিয়েছে : ফখরুল ইসলাম

 

ইউকে বাংলা অনলাইন ডেস্ক :  সরকার প্রতিবাদের ভাষাকে রুদ্ধ করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর লেডিস ক্লাবে ‘পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট নাগরিকদের সম্মানে বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক দোয়া ও ইফতার মাহফিলে এ মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, গতকাল সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী সমিতির যে নির্বাচন কিছুদিন আগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করতে দেয়া হয়নি। নির্বাচন কমিশন প্রধানকে সেখানে অপমান করা হয়েছিল। সেই দুঃখে তিনি পদত্যাগ করেছিলেন। সেই ফলাফলটা পেন্ডিং ছিলো। আর সেটা তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের যে সম্মেলন কক্ষ তালা বন্ধ করে দিয়ে রাখা হয়েছিল।

‘গতকাল আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা জবরদস্তি, জোর করে সন্ত্রাসী কায়দায় সেই ঘর ভেঙে ফলাফল নিয়ে তারা ফলাফল ঘোষণা করে দিয়েছেন। আমরা এখনো যেখানে কিছুটা আশা করতাম যে, ওই প্রতিষ্ঠাটিতে এখনো হাত দেয়া সম্ভব হয়নি, সেখানেও তারা এখন সন্ত্রাসী কায়দায় প্রবেশ করেছে।’

পেশাজীবীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এই বিষয়গুলো নিয়ে আপনাদের প্রতিবাদ করা দরকার। আজকে আইনজীবীদের বেরিয়ে আসা উচিত ছিলো। যে এই ভয়াবহ অন্যায় সহ্য করা যাবে না। আজকে আইনজীবীদের উচিত ছিলো প্রধান বিচারপতির কাছে যাওয়া এবং সমস্ত বাংলাদেশে আইনজীবীদের একটা প্রতিবাদ হওয়া উচিত ছিলো। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, ফ্যাসিবাদ যখন আক্রমণ করে তখন এভাবেই সমস্ত প্রতিবাদকে তারা রুদ্ধ করে দেয়। আজকে একই কায়দায় প্রতিবাদের ভাষাকে রুদ্ধ করে দিয়েছে।

ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন এবং প্রস্তাবিত গণমাধ্যম কর্মী আইনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সমস্ত আইন দিয়ে যাতে কেউ কোন কথা বলতে না পারে- সেই ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করা হয়েছে।

ফখরুল অভিযোগ করেন, আজকে সরকারের নির্দেশ ছাড়া কোন বিচার হয় না। সরকার যেভাবে বলে সেভাবেই সমস্ত কিছু। আমাদের বেলায় সবচেয়ে বেশী প্রযোজ্য হয়।

আজকে আমাদের পক্ষ থেকে এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান আসছে জানিয়ে তিনি বলেন, আসুন আজকে আমরা সবাই, এই ভয়াবহ দানবকে প্রতিরোধ করার জন্য, তাকে সরিয়ে সত্যিকার অর্থে জনগণের একটা সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই। আজকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, এদেরকে সরাতে হবে। তাদেরকে বলতে হবে যে, তোমরা সরে যাও। সরে গিয়ে একটা নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করো।

মির্জা ফখরুলেল সভাপতিত্বে এবং বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান ড. এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিএফইউজে’র সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (একাংশ) সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান সেলিম ভূঁইয়াসহ বিভিন্ন পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট নাগরিকরা বক্তব্য রাখেন।

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন :

সর্বশেষ সংবাদ

ukbanglaonline.com