ইউকে রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১
হেডলাইন

পর্তুগালে আশ্রয় নিচ্ছে ইউরোপের অবৈধ অভিবাসীরা

পর্তুগালে আশ্রয় নিচ্ছে ইউরোপের অবৈধ অভিবাসীরা

ইউকে বাংলা অনলাইন ডেস্ক :  পৃথিবীর চার ভাগের তিন ভাগ জল এবং এক ভাগ স্থল। সমগ্র পৃথিবীতে প্রায় ২০২১ সাল পর্যন্ত ৭ দশমিক ৯ বিলিয়ন মানুষ বসবাস করে, যা ২০২৩ সালে আদমশুমা’রি গণনার পর ধারণা করা হচ্ছে ৮ বিলিয়ন এ গিয়ে দাঁড়াবে।

স্থল ভাগে ১৯৫টি দেশের মধ্যে কিছু কিছু দেশের আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যার হার অনেক বেশি, যা একটি দেশের জনসংখ্যার মা’থাপিছু আয়ের চেয়ে ব্যয়ের পরিমাণ অনেক বেশি। কারণ যে হারে জনসংখ্যা হার বৃদ্ধি পাচ্ছে, সে হারে তো কর্মসংস্থান হচ্ছে না। তাই মানুষ উন্নত জীবনের আশায় বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন।

দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকা এবং লাতিন আ’মেরিকার দেশগুলো থেকে শিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত, দক্ষ-অদক্ষ যে যেভাবেই সুযোগ পান, নিরাপদ জীবন এবং স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য ইউরোপের বিভিন্ন দেশগুলোতে ভিড় করেন।

বৈধ এবং অ’বৈধভাবে আসা অ’ভিবাসীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে আছে ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন এবং পর্তুগাল। অধিকাংশ অ’ভিবাসীরাই ফ্রান্সে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে আবেদন করে সাময়িক সময়ে কিছু সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার জন্য। কিন্তু একটা সময় সে আশার আলো হতাশার বাণী ও শোনায়। বর্তমানে ফ্রান্সে বাংলাদেশি অ’ভিবাসীদের বেশির ভাগ নথিগুলোই তারা প্রত্যাখ্যান করছে।

তাছাড়া ইতালি এবং স্পেনে অ’ভিবাসীদের বৈধতা পেতে বেশ ঝামেলা পোহাতে হয়। সেদিক থেকে বর্তমানে ইউরোপে সহ’জ শর্তে কম সময়ে বৈধতা অর্জন করা যায় পর্তুগালে।

পর্তুগালে বৈধ এবং অ’বৈধ অ’ভিবাসীরা, দেশটিতে প্রবেশ করার এক থেকে দুই বছরের মধ্যেই বৈধতা লাভ করে। ফলে ধিরে ধিরে ইউরোপের অন্যান্য দেশের মতো পর্তুগাল ও অ’ভিবাসীদের কাছে অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ দূতাবাস লিসবনের হিসেব অনুযায়ী, বৈধ এবং অ’বৈধভাবে প্রায় ১৫০০০ বাংলাদেশি অ’ভিবাসী এখানে বসবাস করছে।

সুখবর হচ্ছে এখানে বৈধভাবে যে কেউ পাঁচ বছর বসবাস করার পরই পাসপোর্ট এবং নাগরিকত্ব লাভ করে, যা ইউরোপের অন্যান্য দেশে এত কম সময়ে অকল্পনীয়। পাসপোর্ট এবং নাগরিকত্ব পাওয়ার পর উন্নত জীবনের আশায় স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য কেউ কেউ স্বপ্নের দেশ আ’মেরিকা, কানাডা অথবা ইউরোপের উন্নত দেশগুলোতে পাড়ি জমান।

পর্তুগালে সহ’জ শর্তে বৈধতা পাওয়া গেলেও, এখানে কাজ পাওয়াটা একটু দুরূহ ব্যাপার। তাছাড়া ভাষাগত সমস্যা ও একটি বড় প্রতিবন্ধকতা। তবে কিছুদিন থাকার পর ধীরে ধীরে সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে উঠে।

সর্বোপরি বর্তমানে অ’ভিবাসীরা ইউরোপের অন্যান্য দেশে বৈধতা পাওয়ার আশায় আবেদন করে যখন প্রত্যাখ্যান হয়। ঠিক তখনই তাদের শেষ ভরসা এবং নতুন করে আশার আলো জালানোর জন্য বেছে নেয় আইবেরীয় উপকূলীয় দেশ পর্তুগালকে। সৌজন্যঃ জাগোনিউজ

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন :

সর্বশেষ সংবাদ

ukbanglaonline.com