ইউকে সোমবার, ২ আগস্ট ২০২১
হেডলাইন

ফেসবুকে ‘হা হা’ রিয়েক্ট হারাম, জনৈক আলেমের ফতোয়া!

ফেসবুকে ‘হা হা’ রিয়েক্ট হারাম, জনৈক আলেমের ফতোয়া!

ফেসবুকে ‘হা হা’ রিয়েক্ট হারাম, জনৈক আলেমের ফতোয়া!

ইউকে বাংলা অনলাইন ডেস্ক : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কোনো পোস্টে কাউকে বিদ্রুপ করতে “হা হা” রিঅ্যাক্ট দেওয়াকে হারাম বলে ফতোয়া দিয়েছে শায়খ আহমাদুল্লাহ নামের বাংলাদেশি এক আলেম।

নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করা এক ভিডিওতে এমন ফতোয়া দেন তিনি। ওই পেজে তার ২২ লাখের বেশি ফলোয়ার রয়েছে।

সেখানে আহমাদুল্লাহ বলেন, ফেসবুকে কোনো কন্টেন্ট যদি কেউ মজা করার জন্য নির্মাণ করেন এবং তাতে যদি “হা হা” ইমোজি দেওয়া হয়-তাহলে ঠিক আছে। তবে কাউকে হেয় বা বিদ্রুপ করার জন্য এই ইমোজি ব্যবহার ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম।

ভিডিওতে আবদুল্লাহ নামের একজন জানতে চান “কাউকে নিয়ে ঠাট্টা বা হাসাহাসি করা নিয়ে ইসলাম কী বলে।” এমন প্রশ্নের জবাবে আহমাদুল্লাহ বলেন, “কেউ যদি রসিকতা করে, মজা করে বা বিদ্রুপাত্মকভাবে কারও পোস্টে বা ছবিতে তাকে তাচ্ছিল্য করার জন্য ‘হাহা’ রি-অ্যাক্ট দেয় তবে তা ইসলামে হারাম। সম্পূর্ণ নাজায়েজ একটি কাজ।”

তিনি আরও জানান, “আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সুরা হুজরাতে স্পষ্ট করে বলেছেন ‘তোমাদের মধ্যে কেউ যেন অন্য কাওকে নিয়ে বিদ্রুপ বা ঠাট্টা না করে’। মহানবী (সা.) বিদায় হজের ভাষণে বলেছিলেন, ‘এই জায়গা এই মাস এই সময়টা আল্লাহর কাছে যেমন সম্মানের একইভাবে একজন মানুষের ইজ্জতও একইভাবে সম্মানের।”

আহমাদুল্লাহ বলেন, “যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখেন, আখিরাতে আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতা করতে হবে বিশ্বাস করেন তারা কোনোভাবে কাউকে বিদ্রুপ করে হাহা দিতে পারেন না।”

লক্ষ্মীপুরে জন্ম নেওয়া শায়খ আহমাদুল্লাহ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড (বেফাক) থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে দাওরায়ে হাদিস শেষ করে খুলনা দারুল উলুম থেকে ইফতা সম্পন্ন করে মিরপুরের দারুর রাশাদে শিক্ষকতায় যোগ দেন। তিনি ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত মিরপুরের বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদে ইমাম ও খতিবের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া সৌদি আরবের পশ্চিম দাম্মাম ইসলামিক দাওয়াহ সেন্টারেও যোগ দিয়ে দায়ি ও অনুবাদক হিসেবে দীর্ঘ ৯ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন :

সর্বশেষ সংবাদ

ukbanglaonline.com