ইউকে বৃহস্পতিবার, ৬ মে ২০২১
হেডলাইন

হেফাজত নেতা আজিজুলের রিমান্ড আবেদনে যা বলেছেন তদন্ত কর্মকর্তা

 

ইউকে বাংলা অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশের সরকারকে উৎখাত করতে ১৮ দলীয় শীর্ষ নেতাদের মদদে ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকা অবরোধ করে। এ অবরোধ কর্মসূচির নামে লাঠিসোটা, ধারালো অস্ত্র, আগ্নেয়াস্ত্র, লোহার রড, পাথর ও বোমাসহ রাজধানীর মতিঝিল, ফকিরাপুল, দৈনিক বাংলা মোড়, পল্টন, ইত্তেফাক মোড়, গোপীবাগ ও আরামবাগসহ স্থানে আশপাশে অবস্থান নিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে।

সোমবার (১২ এপ্রিল) পল্টন থানার মামলায় হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদীর রিমান্ডের আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক কামরুল হাসান তালুকদার এসব কথা উল্লেখ করেন।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ‘আজিজুল হক ইসলামাবাদী মামলার এজাহারভুক্ত ১৫৭ নম্বর আসামি। তিনিসহ মামলার এজাহারভুক্ত অন্য আসামিরা বাংলাদেশের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশে সরকারকে উৎখাতের জন্য ১৮ দলীয় শীর্ষ নেতাদের মদদে ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। কর্মসূচির নামে লাঠিসোটা, ধারালো অস্ত্র, আগ্নেয়াস্ত্র, রড, পাথর ও বোমাসহ মতিঝিল, ফকিরাপুল, দৈনিক বাংলা মোড়, পল্টন মোড়, ইত্তেফাক মোড়, গোপীবাগ ও আরামবাগসহ আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেয়। ওইদিন (৫ মে) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কয়েকটি ইসলামী সংগঠনসহ ঢাকা অবরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে মতিঝিলের শাপলা চত্বর এলাকায় অবস্থান করেন তারা। কর্মসূচির একপর্যায়ে আসামিরা বেআইনি জনতাবদ্ধ হয়ে যানবাহনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।’

আবেদনে তিনি আরো বলেন, ‘সমাবেশ চলাকালে আসামিরা সরকার উৎখাতের জন্য বিভিন্ন উস্কানিমূলক বক্তব্যও দেন। একইসঙ্গে ওইদিন (৫ মে) সমাবেশ চলাকালে বিকেল আনুমানিক চারটায় ৬নং পুরানা পল্টন এলাকায় ট্রাফিক অফিসের সামনে অতর্কিত কয়েক হাজার উশৃঙ্খল হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, জামায়াতে ইসলাম বাংলাদেশ ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের হাতে বাঁশের ও কাঠের লাঠিসোটা, লোহার রড ও অবৈধ অস্ত্র প্রদর্শন করে এবং সরকারবিরোধী মিছিল করে। পুলিশকে লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি ও বোমা নিক্ষেপ করে। চার-পাঁচ জায়গায় ট্রাফিক কার্যালয়ের নিচতলা ও দোতলা রুমে থাকা বিভিন্ন অফিস সরঞ্জামাদি ও মালামাল আগুন লাগিয়ে দেয়। পুলিশ কর্মকর্তাদের ব্যবহৃত ব্যক্তিগত ১৩টি গাড়ি আগুনে পোড়ায় ও ব্যাপক আর্থিক ক্ষতিসাধন করে। এ সময় কর্তব্যরত পুলিশও আগুনে দগ্ধ হয়। বাংলাদেশের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশের সরকারকে উৎখাত করার জন্য ১৮ দলীয় শীর্ষ নেতাদের মদদে এরকম কর্মকাণ্ড ঘটানো হয় বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়। তাই এই মামলার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং ঘটনার সঙ্গে আরও কারা জড়িত তা জানতে আসামির ১০ দিনের রিমান্ড একান্ত প্রয়োজন।’

 
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন :

সর্বশেষ সংবাদ

ukbanglaonline.com